আলাস্কা থেকে ৪.৫ ঘন্টার ফ্লাইট শেষে আবারও লস এঞ্জেলেস এ ট্রাঞ্জিট। ট্রানজিট এবার ৫ ঘন্টা। হলিউডে যাওয়ার ইচ্ছা ছিলো।কিন্তু বাকি সবাই রাজি না হওয়ায় শেষ অবধি ডগউইলার বীচে গেলাম সবাই।এটা সবচেয়ে বাজে অভিজ্ঞতা। কোনো রকমের কোনো "achievements" ছাড়াই আমরা আবার LAX এয়ারপোর্টে ব্যাক করলাম। উল্লেখ্য,লস এঞ্জেলেস এ আমরা সেই আগের আরমেনিয়ান ড্রাইভারের হোয়টস অ্যাপ নম্বর রেখে দিয়েছিলাম। উনার সাথেই কন্টাক্ট করে আবার আমরা সেইম ক্যাবেই গিয়েছি। স্যান্টা মনিকা দেখার ইচ্ছা ছিল। কিছুই দেখা হলো না ফিরতি ট্রাঞ্জিটে।
লস এঞ্জেলেসে বিমানে ফেরার পথে সূর্যোদয়
তারপরে একই ভাবে ক্যথে প্যাসিফিকে প্রথমে হংকং আর তারপরে হংকং থেকে বাংলাদেশের ফ্লাইটে ঢাকা পৌছালাম। মাঝের ট্রাঞ্জিটে নতুন তেমন কিছু নেই।আমি হংকং এয়ারপোর্টে বার্গার কিং থেকে ৯ ইউ এস ডি দিয়ে ফিশ বার্গার আর অন্য আরেকটা দোকান থেকে Knot কিনে খেলাম ৯ ইউ এস ডি দিয়ে। শেষ মুহূর্তে বড়লোক হয়ে গেলাম আরকি!
ডগহুইলার বীচ, কোনো কিছুই যেখানে ভালো লাগে নাই
শেষমেষ বাংলাদেশে অসম্ভব বাজে ইমিগ্রেশন প্রসেস শেষে এয়ারপোর্টে ২ ঘন্টা আটকে থেকে বের হলাম রাত ২.৩০ এর দিকে৷ উবার কল করে ঠিক বাসার সামনে নেমে গেলাম। সবশেষে সমাপ্তি ঘটলো স্মরণীয় এই দিনগুলোর পর্যায়ক্রমিক পর্বের।
আগেরবার প্রতিবেশী দেশে গেলেও পুরা অচেনা জায়গায় আর পুরোপুরি ভিন্ন সংস্কৃতির দেশে যাওয়া এটাই প্রথম।৩ মাসের মাথায় দুটো ফরেইন ট্যুর দিবো বছরের শুরুতেও ভাবতে পারি নি।হয়তো সামনে অনেক কিছুই হবে, বা হবে না। এবারের এই কয়েকদিনের ট্যুর আমার জন্য একটা বিশাল গ্রোথ। অনেকখানি রিয়েলিটি চেক,আর আরও অনেএএক খানি রেস্পন্সিবিলিটি। সব কিছু মিলিয়ে নিজের অন্য এক সত্তা আবিষ্কার করেছি সেখানে। মার্কিন মুলুকের এই প্রথম যাত্রা সত্যিকার অর্থেই জীবনে চলার পথের এক বিশাল মাইলফলক। এতটুকু বোধ প্রবল ভাবে অনুভূত হয়েছে যে,যত সমস্যাই আসুক, এটার সমাধান ও আমার হাতেই আছে। আর জীবনও চলে যাবে জীবনের নিয়মে!




No comments:
Post a Comment